গ্যাস: উৎসবের মরসুমে স্বস্তি! কবে থেকে কমবে দাম?

যুক্তরাষ্ট্রে শ্রম দিবস উপলক্ষ্যে পেট্রোলের দাম কমেছে, যা ২০২০ সালের পর সর্বনিম্ন। সাধারণত, এই সময়ে আমেরিকানরা গ্রীষ্মের ছুটি উপভোগ করে থাকে।

এবার তাদের জন্য স্বস্তির খবর হলো, পাম্পে গ্যাসের দাম তুলনামূলকভাবে কম।

গ্যাস বা পেট্রোলের দাম বর্তমানে প্রতি গ্যালনে ৩.১৫ ডলার, যা ২০২০ সালের পর সর্বনিম্ন। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সে বছর দাম ছিল আরো কম – ২.২২ ডলার প্রতি গ্যালন।

গত বছর শ্রম দিবসে এই দাম ছিল ৩.২৯ ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঞ্চলে, যেমন জর্জিয়া, টেক্সাস, নর্থ ক্যারোলাইনা এবং আইওয়াতে, বর্তমানে গ্যাসের দাম প্রতি গ্যালনে ৩ ডলারের নিচে।

এই দাম কমার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে যাওয়া।

বর্তমানে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ৬৪ ডলারের নিচে নেমে এসেছে, যা প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কার্যকালের শেষ দিনে ছিল ৭৭.৩৮ ডলার।

এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে, কারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম তাদের জীবনযাত্রার ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তেলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

ওপেক (OPEC) তেল উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে, যার ফলে বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ বেড়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে অন্যতম কারণ হলো বাজারের চাহিদা পূরণ করা এবং নিজেদের বাজার ধরে রাখা।

তবে, গ্যাসের দামের এই স্থিতিশীলতা কতদিন থাকবে, তা অনিশ্চিত।

কারণ আবহাওয়া এবং আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, যেমন রাশিয়া বা ইরানের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা, তেলের দামে প্রভাব ফেলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের ওঠা-নামা আমাদের দেশের জ্বালানি তেলের মূল্যের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

বিশ্ববাজারে দাম কমলে, বাংলাদেশেও এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা যেতে পারে।

বর্তমানে, ১ মার্কিন ডলার = ১১০ টাকা (সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৩)। সেই হিসাবে, প্রতি লিটার গ্যাসের দাম প্রায় ৬৯ টাকার কাছাকাছি হবে।

তথ্য সূত্র: সিএনএন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *